কমলগঞ্জে এক স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের পর যৌণ নির্যাতন ২৩দিন পর উদ্ধার ॥ আটক-১

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি//মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় এক স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের ২৩দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে। সাথে অপহরণকারীকেও আটক করছে পুলিশ। সোমবার উপজেলার আদমপুরের হুমেরজান এলাকার এক বাড়ী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সে রাণীবাজার দয়াময় উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী।
জানা যায়, উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের হুমেরজান গ্রামের পাঙাল মুসলিম মো. আলতু মিয়ার মেয়ে শারমিন আক্তার (১৫) ২০১৮ সালের ১৬ ডিসেম্বরে সকাল ৮টায় দয়াময় উচ্চ বিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবস অনুষ্টানে যোগ দিতে বাড়ী থেকে বের হয়। যাওয়ার পথে মাটিয়া মসজিদ নামক নির্জন এলাকা থেকে অপহরণ করা হয়েছে। অপহরণকারী একই গ্রামের আবিদ মিয়ার ছেলে ৩ সন্তানের জনক আতাব মিয়া (৩০) ও তার সহযোগী ইলিয়াছ মিয়া (৩৫)।
এ ব্যাপারে অপহরূত স্কুল ছাত্রীর বাবা আলতু মিয়া ঘটনার পরদিন কমলগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেন। পরে ৬ জানুয়ারী রবিবার মেয়ের অবস্থানের কথা জেনে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। এ সুত্র ধরে কমলগঞ্জ থানার এসআই মো. সুরুজ আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে অপহরণকারীর সহযোগী ইলিয়াছ মিয়ার বাড়ী থেকে অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় অপহরণকারীকে আটক করে পুলিশ। অপহরণকারীর সহযোগী ইলিয়াছ মিয়া পালিয়ে যায়।
অপহরূতের বাবা আলতু মিয়া জানান, আমার নাবালিকা মেয়েকে অপহরণের পর থেকে তার সহযোগী ইলিয়াছের বাড়ীর একটি কক্ষে দিনের পর দিন যৌন নির্যাতন চালিয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় কমলগঞ্জ থানায় অপহরণ ও যৌন নির্যাতন করার একটি মামলা দায়ের করছেন। যার নং ৬, তারিখ ০৭/০১/১৯ইং ধারা নারী শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৭/৩০/৯(১)। উদ্ধার করার পর অসুস্থত স্কুল ছাত্রী শারমিন আক্তারকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ও অপহরণকারীকে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। কমলগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনর্চাজ (ওসি) মো. আরিফুর রহমান ছাত্রী উদ্ধার করা কথা স্বীকার করে বলেন, নারী ও নির্যাতন দমন আইনে ঘটনা কারীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।