স্বরূপকাঠিতে ইউএনওর নির্দেশে ১০ বস্তা সরকারি চাল জব্দ

হযরত আলী হিরু, পিরোজপুর প্রতিনিধি ॥
পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে ইউএনওর নির্দেশে ৫০ কেজি করে ১০ বস্তা সরকারি চাল জব্দ করা হয়েছে। উপজেলার সুটিয়াকাঠি ইউনিয়নের নান্দুহার গ্রামের কৃষক বাদশা তালুকদারের ঘর থেকে ওই চাল জব্দ করা হয়। জানা গেছে রবিবার বিকেলে বাদশা তালুকদারের ঘরে বসে সরকারি চাল বিক্রি হচ্ছে এলাকাবাসীর মাধ্যমে ফোনে এখবর পান ইউএনও আবু সাঈদ। ইউএনও তাৎক্ষনিক ওই ইউনিয়নের ট্যাগ অফিসার উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. ইউনুস আলীকে পুলিশ সহ ঘটনাস্থলে পাঠান। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাদশা গাঢাকা দেয়। এসময় বাদশার স্ত্রী মাহিনুর বেগম জানান, হতদরিদ্রদের জন্য ১০ টাকা দরে চাল বিক্রির ডিলার সত্যজিৎ ঘোষের কাছ থেকে ১০/১২ দিন পূর্বে তারা ওই চাল কিনেছেন। এক পর্যায়ে ইউএনও উপজেলা খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা (ওসি এলএসডি) মো. মিজানুর রহমানকে ঘটনাস্থলে গিয়ে চাল জব্দ করার নির্দেশ দিলে তিনি সন্ধ্যায় ওই চাল জব্দ করেন। এ ব্যাপারে ডিলার সত্যজিৎ দাবী করেন এক মাস পূর্বে তিনি বাদশার কাছে কাবিখা প্রকল্পের ১ টন চাল বিক্রি করেছিলেন। হতদরিদ্রদের চাল ট্যাগ অফিসারের সামনেই কার্ডের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে। সত্যজিৎ এর দাবীকে অস্বীকার করে ট্যাগ অফিসার ইউনুস বলেন, হতদরিদ্রদের চাল সময় আমার সামনে বিতরণের নিয়ম থাকলেও ডিলার চাল বিতরনের সময় আমাকে অবহিত পর্যন্ত করেননি। জব্দকৃত চাল কোন প্রকল্পের এমন প্রশ্নের জবাবে উপজেলা খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা (ওসি এলএসডি) মিজানুর রহমান বলেন, তদন্ত করে বলা যাবে এটা কিসের চাল ২/১ দিনের মধ্যেই তদন্ত রিপোর্ট ইউএনও মহোদয়ের কাছে জমা দেয়া হবে। এ ব্যাপারে ইউএনও আবু সাঈদ বলেন খবর পেয়ে ওই চাল জব্দ করা হয়েছে। চালটা কাবিখা বা খাদ্যবান্ধব যে প্রকল্পেরই হোক না কেন সেটা পাবলিকের হাতে গেল কি করে এবং এভাবে বিক্রি হতে পারেনা। ট্যাগ অফিসার ও ওসি এলএসডিকে পৃথকভাবে তদন্ত করে দুটি রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পরে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।