মঠবাড়িয়া সরকারি কলেজের বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা বিপাকে শিক্ষক না থাকায়

হযরত আলী হিরু, পিরোজপুর প্রতিনিধি ॥
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া সরকারি কলেজ শিক্ষক সংকট সহ নানা সমস্যায় জর্জরিত। ১৯৬৯ সালে এলাকার কয়েকজন শিক্ষানুরাগীদের চেষ্টায় কলেজটি প্রতিষ্টিত হয় যা ১৯৮৪ সালে সরকারি করণ করা হয়। কলেজে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ সহ শিক্ষকের পদ ৩৬টি । এর মধ্যে প্রায় সব বিভাগেই পদই খালি, তবে এর মধ্যে বিজ্ঞানে শিক্ষক সংকট প্রকট। কলেজের প্রশাসনিক শাখা থেকে জানাযায় বাংলা ৩ জন শিক্ষকের পদ থাকলেও আছে ২জন,ইংরেজী, অর্থণীতি ও রাষ্ট্র বিজ্ঞান, হিসাব বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগে ৩ জন শিক্ষকের পদ। এ পদগুলো পূর্ন আছে। ইতিহাস ও দর্শনে ৩ জন শিক্ষকের পদ থাকলেও আছে ১জন করে। ইসলামের ইতিহাস-২ জন শিক্ষকের পদ থাকলেও তা এখন শূন্য। অধ্যক্ষের বক্তব্য খন্ডকালীন শিক্ষক দিয়ে এ পদের শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হচ্ছে। কলেজের অভ্যন্তরীন খাত থেকে খন্ডকালীন শিক্ষককে সন্মনী দেয়া হচ্ছে। তৃতীয় শ্রেনীর ৬টি পদের ৫ পদই শূন্য। শুধু আছে স্টোর কিপার। চতুর্থ শ্রেনীর ১১ টি পদের মধ্যে কর্মরত আছে ৪ জন। অধ্যক্ষ বলেন, হিসাব রক্ষক ও চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী সংকট থাকার কারনে হিসাব সংরক্ষন ও চিঠি ডাক যোগে পাঠানোর কাজটি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে করতে হয় এ রকম দাবী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফার। তিনি জানান, কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫৯৬জন। এর মধ্যে বিজ্ঞানে ১৫০জন। বিজ্ঞানের গনিত ও পদার্থ বিজ্ঞানে ২ জন শিক্ষকের পদ থাকলে তা শূন্য। রসায়নে শিক্ষকের পদ দুটি। এ দুটি পদেই শিক্ষক আছে। উদ্ভিদ বিজ্ঞান, প্রাণী বিজ্ঞান ১জন করে শিক্ষকের পদ থাকলেও তা শূন্য। বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেনীর মুকিতুল ইসলাম ও দ্বাদশ শ্রেনীর রাইয়ান খান ও বলে বিজ্ঞানে শিক্ষার্থী না থাকায় তারা চরম বিপাকে আছে। অধ্যক্ষ বলেন, সীমানা প্রাচীরের অর্ধেক আছে। বাকী অর্ধেক না থাকার কারনে একজন নৈশ প্রহরীর পক্ষে তা পাহাড়া দেয়া কঠিন। এরপর তিনি বলেন, প্রায় পৌনে আট একর জমি উপর কলেজ এলাকার মাঠের বেশ কিছু জমি বর্ষায় তলিয়ে যায় একারনে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা জানান, কলেজে শিক্ষক সংকটের বিষয়টি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।