0
(0)

অমিত কাঞ্জিলাল,স্টাফ রিপোর্টার//
মানুষের শরীরের প্রতিটি অঙ্গই মূল্যবান। যেকোনো একটি অঙ্গহানিতে ভুক্তভোগীই বুঝতে পারেন জীবনটা কতটা কষ্টের। তবে চোখ হারালে তার আর কষ্টের শেষ থাকে না। সুন্দর এই পৃথিবীর সৌন্দর্য উপভোগ করা সম্ভব হয় না। জীবনটা তখন পরনির্ভর হয়ে পড়ে। একা একা নিশ্চিন্তে দুই পা-ও এগোনো সম্ভব হয় না। অথচ এই চোখের যত্নের ব্যাপারে আমরা চরমভাবে উদাসীন। অথচ নিয়মিত যত্ন নিয়ে চোখকে স্বাভাবিক রাখা যায়।
চোখ মানুষের অমূল্য সম্পদ। অথচ এর যত্নের ব্যাপারে আমাদের প্রচণ্ড অনীহা। খুবই অবাক করার ব্যাপার যে, একজন মানুষ তার ব্যবহৃত গাড়ি বা মোটরসাইকেল যেভাবে প্রতিনিয়ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চোখের ব্যাপারে তার কোনো কিছুই করে না। অথচ সুস্থ চোখের জন্য নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা প্রয়োজন, এটি মাথায়ই আসে না। অনেকে মাঝে মাঝে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলেও তা এতটাই সাধারণভাবে যে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অথচ চোখের পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা জরুরি।
অপর্যাপ্ত আলোয় পড়াশোনা করলে চোখের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এতে চোখের ক্ষতি হয়। এ বিষয়টি অনেকেই মোটেও গুরুত্ব দেয় না। অথচ পড়াশোনার জন্য চাই পর্যাপ্ত আলো।
আজকাল অনেককে কম্পিউটারে কাজ করতে হয়। অফিসের বেশির ভাগ সময় কাটে কম্পিউটারের সামনে বসে। চোখের ওপর চাপ কমাতে কম্পিউটারের স্ক্রিনের ওপরিভাগ চোখের সমান্তরালে স্থাপন করা উচিত। চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে স্ক্রিনের আলো স্ক্রিনের আশপাশের আলোর মতো উজ্জ্বল হওয়া উচিত।
চোখের ওপর চাপ কমাতে রাতে নয়, দিনে পড়াশোনার ওপর জোর দেওয়া উচিত। তা ছাড়া প্রতি ৪০ মিনিট পড়ার পর পাঁচ মিনিট চোখকে বিশ্রাম দেওয়া প্রয়োজন।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

Average rating 0 / 5. Vote count: 0

No votes so far! Be the first to rate this post.