মো: মাসুম বিল্লাহ//
কাঁঠালে থাকে ৯০ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট। এতে থাকা শর্করা, ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজ দ্রুত শক্তির জোগান দেয়। প্রচুর পরিমাণে থাকা আমিষ, শ্বেতসার অপুষ্টিজনিত সমস্যা সমাধান করে।
চর্বি বা কোলেস্টেরলের পরিমাণ খুব কম। প্রচুর পরিমাণে থাকা ভিটামিন ‘এ’ দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়, রেটিনার ক্ষতি প্রতিরোধ করে রাতকানা ও অন্ধত্ব থেকে রক্ষা করে।
বিটা ক্যারোটিন, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম দাঁত ও হাড় সুস্থ রাখে, ত্বক সুন্দর করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের বলিরেখা বা বয়সের ছাপ কমাতে সহায়তা করে বা বয়োবৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর করে।
বিদ্যমান ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস আলসার, ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ ও বার্ধক্য প্রতিরোধে সক্ষম।
পটাসিয়াম রক্তচাপ ও ব্ল্যাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে, স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। হলুদ ও রসালো অংশে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক উপাদান।
কপার থাইরয়েড গ্রন্থির স্বাভাবিক হরমোন তৈরির ক্ষমতা বজায় রাখে। দুশ্চিন্তা ও অবসাদ দূর করতে সাহায্য করে।
ডায়েটারি ফাইবার মলাশয় থেকে বিষাক্ত উপাদান অপসারণ করে, এমনকি মলাশয়ের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
ভিটামিন ‘সি’ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস থেকে রক্ষা করে। সর্দি-কাশি ও জ্বর প্রতিরোধ করে। আয়রন রক্তাল্পতা দূর করে, পেটের অসুখ, ম্যালেরিয়া, কৃমি, আলসার, রক্ত আমাশয় ইত্যাদি প্রতিরোধ করে।
গর্ভবতী মহিলাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং গর্ভস্থ সন্তানের স্বাভাবিক বৃদ্ধি হয়, বুকের দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। কাঁঠালের রস খাওয়ালে শিশুর ক্ষুধা নিবারণ ও প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাব পূরণ হয়।