একটি স্পীড ব্রেকারের অভাবে আগৈলঝাড়া হাসপাতালের সামনে ঘটছে দূর্ঘটনা

0
(0)

আগৈলঝাড়া প্রতিনিধিঃ
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় ৫০ শয্যার হাসপাতালের সামনে স্পীড ব্রেকারের অভাবে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। হাসপাতালের সামনে দুর্ঘটনা এড়াতে বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নিকট স্পীড ব্রেকার নির্মানের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সাধারন জনগন ও রোগীর স্বজনেরা।
জানা গেছে, গৌরনদী-আগৈলঝাড়া-গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে আগৈলঝাড়া উপজেলার গৈলা এলাকায় ৫০ শয্যার হাসপাতাল অবস্থিত। এই হাসপাতালের সামনে সোমবার সকালে সড়ক পারাপারের সময় ট্রাক ও বাস সাইড দিতে গিয়ে পাশের একটি মাহেন্দ্রর সাথে ধাক্কা লেগে মাহেন্দ্র উল্টে গায়ে পরে উপজেলার মধ্যশিহিপাশা গ্রামের আরঙ্গ মুন্সীর মেয়ে ও গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী অহনা আক্তার গুরুতর আহত হয়। তাৎক্ষনিক অহনাকে উপজেলা হাসপাতালে নিলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকেরা তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করেন। শুধু অহনাই নয়, হাসপাতালের সামনের সড়কে কোন ¯প্রীড বেকার না থাকায় প্রায়ই ঘটছে দূঘর্টনা। বর্তমানে অহনা চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বরিশাল সড়ক ও জনপথের আওতাধীন এই সড়কে গৌরনদী থেকে পয়সারহাট পর্যন্ত বরিশাল অংশের ১৬ কিলোমিটার সড়কে উল্লেখিত হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ হাট বাজার ও কলেজ থাকলেও নেই কোন স্পীড ব্রেকার। আঞ্চলিক এই মহাসড়কে গুরুত্বপূর্ন স্থানে স্পীড ব্রেকার না থাকলেও উপজেলার অভ্যন্তরীণ সড়ক নগড়বাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ৫০ গজের মধ্যে রয়েছে ৩টি স্পীড ব্রেকার। যাতে দুর্ঘটনা না কমে আরও বেড়েছে। বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন যাত্রীরা। হাসপাতালে আগত রোগীর স্বজন ও ঐতিহ্যবাহি গৈলা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও গৈলা শিশু নিকেতনের বেশীর ভাগ শিক্ষার্থীরা এই সড়কটি ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন পারাপার হচ্ছে। রোগী ও তাদের স্বজনদের হাসপাতালের সামনের আঞ্চলিক মহাসড়ক পাড় হয়ে ঔষধ কিনতে যেতে হয়। রোগীর কথা চিন্ত করে আনমনা থাকা স্বজনেরা রাস্তা পারাপারের সময় প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকা হচ্ছেন। স্থানীয়দের দাবী হাসপাতালের সামনে একটি স্পীড ব্রেকার নির্মান করা হলে দূর্ঘটনা থেকে রেহাই পাবেন পথচারিরা।
বরিশাল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, হাইওয়ে সড়কে স্পীড ব্রেকার নির্মান করা হয়না। মহা সড়কের যেখানে যা নির্মান করা হয়েছে তা স্থানীয়রা উদ্যোগ নিয়ে করেছে। তার পরেও রোগী শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে হাসপাতালের সামনে শিঘ্রই স্পীড ব্রেকার নির্মান করে দেয়ার কথা জানান তিনি।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

Average rating 0 / 5. Vote count: 0

No votes so far! Be the first to rate this post.