0
(0)

মো: মাসুম বিল্লাহ//
ডায়াবেটিসের শিকার হলে তা নাকি কখনো সারানো যায় না।প্রতি দিনের ডায়েটে বেশ কিছু অদলবদল ঘটিয়ে অন্তত তা নিয়ন্ত্রণে রাখা যেতে পারে। সেগুলো কী কী, তা জেনে নিন। টোমেটোতে রয়েছে ভরপুর ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিন ‘এ’ এবং লাইকোপেন। ডায়াবেটিসের কারণে হার্টের অসুখ রোধ করে এই উপাদানগুলো। তা ছাড়া, লো-কার্ব ও ক্যালোরি কম থাকায় ওজন নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে এটি। ফলে প্রতি দিনের ডায়েটে অবশ্যই রাখুন টোমেটো।
শুধু শীতকালেই নয়, আজকাল প্রায় সব মৌসুমেই বাজারে বিটের দেখা মেলে। বিটে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার থাকায় তা ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করতে পারে। তা ছাড়া এতে রয়েছে ন্যাচারাল সুগার যা অতি দ্রুত গ্লুকোজে পরিণত হয় না। ফলে ডায়াবেটিস রাশ টানতে সাহায্য করে।
অনেকেই কুমড়ো থেকে তার বীজ ফেলে দেন। একে অতটা হেলাফেলা করবেন না। ফ্যাটি অ্যান্ড সুগারি ফুড খাওয়ার প্রবণতাকে নিয়ন্ত্রণ করে কুমড়োর বীজ। এতে আয়রন এবং আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে, যা পেট ভরা রাখে।
ডায়াবেটিস হলে ডায়েটে অবশ্যই রাখুন আখরোট, চিনাবাদাম বা আমন্ডের মতো মিক্সড নাটস। এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। এ ছাড়া এতে রয়েছে এসেনশিয়াল অয়েল যা ডায়াবেটিক ইনফ্ল্যামেশন, ব্লাড সুগার এবং ব্যাড কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। সারাদিনের কাজের ফাঁকে স্ন্যাক্স হিসেবে অবশ্যই রাখুন মিক্সড নাট।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আদর্শ সুপারফুড হলো জাম। নিয়মিত জাম খেলে হজমশক্তির পাশাপাশি ইনসুলিনের অ্যাক্টিভিটিও বাড়িয়ে দেয়। আয়ুর্বেদ অনুযায়ী, জামের বীজ গুঁড়া উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে।
রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে করলার জুড়ি মেলা ভার। ফলে প্রতি দিন সকালে খালি পেটে অন্তত এক গ্লাস করলার রস খান।
আয়ুর্বেদের মতে, হলুদ হলো ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য একেবারে সঠিক সুপারফুড। কীভাবে খাবেন হলুদ? প্রতি রাতে এক গ্লাস গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে খান।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

Average rating 0 / 5. Vote count: 0

No votes so far! Be the first to rate this post.