0
(0)

সবুজ বাংলা ডেস্ক//
গ্রীষ্ম মৌসুমের ফল কাঁঠাল শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি নানা রোগের প্রতিকারক হিসেবেও কাজ করে। ভারতীয় পুষ্টিবিদ রুজুতা দেওয়াকর একটি পুষ্টিবিষয়ক প্রতিবেদনে জানান, কাঁঠাল অন্ত্রের বন্ধু। তা ছাড়া ইনসুুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়ায় এবং চুলের জন্যও ভালো।
পুষ্টিগুণ: কার্বোহাইড্রেট, আঁশ, ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘সি’ রিভোফ্লেভিন, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়ামে ভরপুর থাকে কাঁঠালে। স্বাস্থ্যকর ক্যালরির জন্য এই ফল কাঁচা অবস্থায় রান্না করে কিংবা আচার বানিয়ে খাওয়া যেতে পারে। আর পাকা কাঁঠাল স্বাদে অনন্য।
রক্তে শর্করার মাত্রা: কাঁঠালের ‘গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স’ কম, অর্থাৎ রক্তে শর্করার মাত্রার ওপর কম প্রভাব রাখে। প্রধান কারণ আঁশ সমৃদ্ধ। তাই হজম হয় ধীরে। তাই হঠাৎ করে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় না। এ ছাড়া কাঁঠালে রয়েছে প্রোটিন যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
আঁশ: কাঁঠালের আঁশ ও কার্বোহাইড্রেট হজমের জন্যও ভালো এবং অন্ত্রের কর্মক্ষমতা ঠিক রাখে। যারা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন তাদের জন্য কাঁঠাল খুবই উপকারী। ক্যারটিনয়েডস ও ফ্লাভানোন্স সমৃদ্ধ কাঁঠাল প্রদাহরোধী উপাদানেও ভরপুর। তাই হৃদরোগ ও কোলেস্টেরলের সমস্যা যাদের আছে তাদের জন্য এটা আদর্শ। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এসব রোগীদের জন্য উপকারী। কাঁঠালের ভিটামিন ‘এ’ এবং ‘সি’ রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। দক্ষিণ ভারতে পেট খারাপ ও অ্যাজমা প্রতিকারে কাঁঠাল খাওয়ানো হয়।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

Average rating 0 / 5. Vote count: 0

No votes so far! Be the first to rate this post.