আওয়ামীলীগের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শেখ হাসিনার বিজয় নিশ্চিত করুন-মন্ত্রী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

0
(0)

জয় রায়,আগৈলঝাড়া প্রতিনিধিঃ
স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছর পর ’৭৫এর ১৫ আগষ্ট জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান, আব্দুর রব সেরনিয়াবাতসহ তাদের পরিবার সদস্যদের হত্যার পর দেশটাকে মিনি পাকিস্তান বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে। যার ধারাবাহিকতায় বিএনপি ক্ষমতায় এসে ভিনদেশী নাগরিক স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার গোলাম আযমকে মন্ত্রী বানিয়ে জাতিসংঘে ভাষণ দেয়ার সুযোগ করে দিয়েছিল। অন্যান্য রাজাকারদের গাড়িতে পতাকা দিয়েছিল বিএনপি। জিয়াউর রহমানের ক্ষমতার সময় মুক্তিযোদ্ধারা চাকুরী বা অন্য কোন কাজে মুক্তিযোদ্ধার সনদ দেখানো যায়নি। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় যারা চাকুরীর জন্য সনদ দেখিয়েছেন তাদের চাকুরী হয়নি। তাদের অনেকের সার্টিফিকেট ছিড়ে ফেলা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় পেলে চাকুরী চলে যেত। সাহস করে কেউ নিজেদের মুক্তিযোদ্ধা বলে পরিচয় দিতেও পারতেন না। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে আ. ছত্তার ১২ জন মুক্তিযোদ্ধাকে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করে। ৯৬সালে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় এসে জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সর্ব শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ মুল্যায়ন করেছেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বৃদ্ধি, আবাসন, চিকিৎসা, চাকুরীকোটাসহ সকল সুযোগ সুবিধা প্রদান করে আসছেন। জাতি আজ দ্বিধা বিভক্ত। স্বাধীনতার পক্ষে, আর বিপক্ষে। আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস থাকবে কি থাকবে না তা মূল্যায়নের সময় এসেছে। তাই আওয়ামীলীগের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শেখ হাসিনার বিজয় নিশ্চিত করুন।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সোমবার দুপুরে উপজেলা সদরে তিন তলা বিশিষ্ট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সএ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের কার্যক্রমের শুভ সূচনা অনুষ্ঠানে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আইয়ুব আলী মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতির পিতার ভাগ্নে, দক্ষিণাঞ্চলীয় মুজিব বাহিনীর প্রধান, জামুকার অন্যতম সদস্য, মন্ত্রী পদমর্যাদার পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্যেশ্যে এসব কথা বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খান, নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহম্মেদ রাসেল, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সহকারী কমান্ডার আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, ডেপুটি কমান্ডার আবু তাহের মিয়া, উপজেলা আওয়ামীলীগ সমন্বয়ক আবু সালেহ লিটন, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান আবদুল্লাহ লিটন, জেলা পরিষদ সদস্য এ্যাডভোকেট রনজিত কুমার সমদ্দার।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

Average rating 0 / 5. Vote count: 0

No votes so far! Be the first to rate this post.