আগৈলঝাড়ার সরকারী খালে বাধঁদিয়ে দখল করেছে প্রভাবশালীরা

আগৈলঝাড়া প্রতিনিধিঃ
বরিশালের আগৈলঝাড়ার শত বছরের পুরাতন সরকারী খালে বাঁধ দিয়ে প্রভাবশালীরা দখল নিয়েছে। ওই দখলদাররা খালটিতে একাধিক বাঁধ নির্মান করায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে। বর্ষার পানি জমে জলাবধ্যতা সৃষ্টি হয়ে দুর্ভোগের স্বীকার হচ্ছে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ। এর প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে সুজনকাঠী গ্রামের যুবসমাজ। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, উপজেলা সদরের পশ্চিম সুজনকাঠী গ্রামের সুশীল বিশ্বাসের বাড়ি থেকে সনাতন রায়ের বাড়ি পর্যন্ত শত বছরের পুরাতন খালটির একাধিক স্থানে বাধঁ দিয়ে দখল করেছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। এই খালটি দিয়ে বর্ষা মৌসুমে ওই এলাকার পানি নিষ্কাশনের এক মাত্র ভরসা। পশ্চিম সুজনকাঠির গ্রামের সরোয়ার হোসেন খাল দখল করে বাথরুমের সেপটি ট্যাংকিসহ স্থায়ী বাধঁ দিয়ে বাড়ি যাওয়ার রাস্তা তৈরি সহ মাছ চাষ করে আসছে। এ ছাড়াও স্বপন বাড়ৈ, রতন বৈষ্ণবসহ একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তিরা খালের মধ্যে বাঁধ দিয়ে পানি চলাচল বন্ধকরে তাদের নিজেদের কাজে ব্যবহার করছে। এলাকাবাসীর দাবি খালটি দখল মুক্ত করে পূনঃখনন করে পানি চলাচলের উপযোগী করার। এছাড়াও ছন্টু বিশ্বাস সরকারী খাল বালুদিয়ে ভরাট করে বসত ঘর নির্মান করেছে। পশ্চিম সুজনকাঠির গ্রামের সচেতন যুবসমাজের উদ্যোগে খালটি দখল মুক্ত করার জন্য উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহাম্মেদ রাসেল ও গৈলা ইউপি চেয়ারম্যান সোয়েব ইমতিয়াজ লিমনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। এব্যাপারে গৈলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান সোয়েব ইমতিয়াজ লিমন বলেন, আমি সরকারী সফরে দেশের বাহিরে থাকার সুযোগে এই খাল দখল করে নিয়েছে। আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে জনগনের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহাম্মেদ রাসেল বলেন, লিখিত অভিযোগ হাতে পেলে তদন্ত করে খালটি উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।